টস জিতে ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ড
দেখতে দেখতে প্রায় শেষের দিকে চলে এলো বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। আজ ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনাল। যেখানে
ক্রীড়া (ইংরেজি: Sport) হচ্ছে একটি সংগঠিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিনোদনধর্মী এবং দক্ষতাসূচক শারীরিক কার্যকলাপ প্রদর্শনের উত্তম ক্ষেত্র। শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তা, কলা-কৌশল এবং সুস্থ ক্রীড়া প্রদর্শন করে একজন বিজয়ী তার অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর নিদর্শন রাখতে পারেন। এটি পরিচালিত হয় একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন বা নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যম।
খেলার প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শারীরিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও মর্যাদা যাতে বিজয়ী এবং বিজিত পক্ষ নির্ধারিত হয়। শারীরিক সক্ষমতা হিসেবে মানুষ, প্রাণীসহ বল, যন্ত্র ইত্যাদি সরঞ্জামাদি জড়িত। এছাড়াও মনঃস্তাত্তিক খেলাধুলা হিসেবে কার্ড গেম এবং বোর্ড গেম রয়েছে। এগুলোর কিছু আবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত।
শারীরিক ইভেন্টগুলো যেমন গোল করা কিংবা নির্দিষ্ট রেখা অতিক্রম করলে খেলায় ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও, ডাইভিং, ফিগার স্কেটিংয়ে খুব ভাল করার দক্ষতা যাচাই ও প্রদর্শন করা অন্যতম বিচার্য বিষয়। ব্যতিক্রম হিসেবে বডি বিল্ডিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোয় দক্ষতা প্রদশর্নকে গণ্য করা হয় না।
প্রতিটি খেলার ফলাফলই রেকর্ড হিসেবে রাখা হয় এবং সর্বদাই অধিকাংশ খেলাগুলোতে সর্বোচ্চ পর্যায়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার মাধ্যমে খেলাধূলার সংবাদে প্রচার করা হয়। বেশীরভাগ খেলাধূলাই শুধুমাত্র নিছক আনন্দ, মজা অথবা মানুষের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শারীরিক সক্ষমতার লক্ষ্যে ব্যয়ামের জন্য করা হয়। অধিকন্তু, পেশাদারী খেলাধূলা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যমও বটে।
খেলাধূলা চর্চার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সুন্দর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলোয়ারসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আচরণগুলোর মধ্যে – ব্যক্তিগত আচরণ পরিবর্তনসহ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, বিচারক(বৃন্দ)কে ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং হেরে গেলে বিজয়ীকে অভিনন্দন প্রদান করা অন্যতম।
দেখতে দেখতে প্রায় শেষের দিকে চলে এলো বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। আজ ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনাল। যেখানে
বিশ্বকাপ ক্রিকেট শেষ হয়নি; কিন্তু বাংলাদেশের বিশ্বকাপ এখন অতীত। সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে ইংল্যান্ড গিয়ে টাইগাররা ফিরেছে ১০ দলের মধ্যে
এই মারাকানা, সেই মারকানা। ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে দগদগে এক ঘা হয়ে আছে ১৯৫০ সালের ‘মারাকানাজো’ ট্রাজেডি। এবার আর কোনো ট্রাজেডি
দক্ষিণ আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকার গত দুই আসরের ফাইনাল খেলেছিল আর্জেন্টিনা ও চিলি। যেখানে দুবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চিলি, রানারআপ
ভারতের বিপক্ষে এক ক্যাচেই ম্যাচ মিস হয়েছে। না হলে হয়তো আজ সেমির লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতো বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে ওই
পেরুর বিপক্ষে ফেবারিট হিসেবেই দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছিল চিলি। গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়নদের লক্ষ্য ছিল টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলা।
গত তিন কোপা আমেরিকার ব্যর্থতাপূর্ণ ফলাফলকে ভুলতে এবার ঘরের মাঠে খেলতে নেমেছে ব্রাজিল। বিশেষ করে ২০১৬ সালের আসরে গ্রুপপর্ব থেকেই
গতকাল ভারত জিতলে বড় সুবিধা হতো বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের। ইংল্যান্ড হারলে সেমির লড়াইয়ে এগিয়ে যেত এই দুই দল। কিন্তু ১৭৬
টাইব্রেকার ভাগ্য আসলে কখন যে কার দিকে হেলে যায়, বলা মুশফিল। পুরো ম্যাচে উরুগুয়েই খেলেছে দাপট দেখিয়ে। কিন্তু সুযোগ তৈরি
অবশেষে ফুটবলপ্রেমীদের মনের বাসনা পূরণ হতে যাচ্ছে। যে ম্যাচটির জন্য নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দেন ফুটবল ভক্তরা, সেই ম্যাচটিরই মঞ্চ প্রস্তুত কোপা
ভারতের সঙ্গে হারের পর দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা জয়ে সেমিফাইনালের দৌড়ে অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে পাকিস্তান! সামনে দুই প্রতিপক্ষ
ঐতিহাসিক লর্ডসে খেলছে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড, কিন্তু এ ম্যাচে গভীর মনোযোগ রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভক্ত-সমর্থকরা। কারণ ইংলিশদের প্রতিটি পরাজয়
ভারতের বিপক্ষে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্স করে বাংলাদেশের মনে যেন খানিক ভয়ই ঢুকিয়ে দিয়েছিল আফগানিস্তান। কিন্তু সেসবকে থোড়াই কেয়ার
সেমিফাইনালে যেতে হলে আফগানিস্তানের সাথে আজ জিততেই হবে। হারলেই শেষ হয়ে যাবে সেমিতে ওঠার সম্ভাবনা। কাগজে-কলমে টিকে থাকলেও সেটা হবে
সমীকরণ সহজ ছিলো না। শুধু নিজেদের ম্যাচের জয় পেলেই হতো না, অপেক্ষা করতে হতো প্যারাগুয়ের পরাজয়ের। মিলেছে এই দুই সমীকরণই।
ব্রাজিলের গোল হতে পারতো আধডজন, ম্যাচশেষের মিনিটখানেক আগে পেনাল্টি পেয়েও, সহজতম সুযোগ থেকে জাল খুঁজে ব্যর্থ হন গ্যাব্রিয়েল হেসুস। অবশ্য
শ্রীলঙ্কাকে ২৩২ রানে বেধে ফেলার পর সবাই অপেক্ষায় ছিল, কত দ্রুততার সঙ্গেই না জিতে যায় ইংল্যান্ড! তাদের যে ব্যাটিং শক্তি