৩০ সেরা হেলথকেয়ার অফিসারকে পুরস্কার দিলো ওয়ালটন প্লাজা

স্টাফ রিপোর্টার

ওয়ালটন প্লাজার ‘হেলথকেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস প্রজেক্ট’-এর আওতায় সেরা ৩০ জন হেলথকেয়ার অফিসারকে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদেরকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

 

রবিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ওয়ালটনের করপোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ৩০ সেরা হেলথকেয়ার অফিসারে হাতে পুরস্কার ও প্রাইজমানি তুলে দেন ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রায়হান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. ফয়সাল ওয়াহিদসহ ওয়ালটন প্লাজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

৩০ জন সেরা হেলথকেয়ার অফিসারের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ওয়ালটন প্লাজার হেলথকেয়ার অফিসার রফিকুল ইসলাম। দ্বিতীয় হন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার জাহিদুল ইসলাম এবং তৃতীয় হন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মো. খোরশেদ আলম।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটন প্লাজার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. ফয়সাল ওয়াহিদ বলেন, ‘হেলথকেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস প্রজেক্ট’ গ্রাহকদের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় গ্রাহকদের স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত সহায়তা দিতে হেলথকেয়ার অফিসাররা কাজ করছেন। তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সেবার মান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

 

ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান বলেন, ওয়ালটন প্লাজা শুধু ব্যবসা নয়, মানুষের কল্যাণে মানবিক কাজও করতে চায়। হেলথকেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস প্রজেক্টের মাধ্যমে গ্রাহকদের স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে হেলথকেয়ার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, ওয়ালটন প্লাজার প্রতিটি কর্মীর পরিচয় শুধু বিক্রয়কর্মী হিসেবে নয়, একজন মানবিক মানুষ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। গ্রাহকদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। কিস্তির টাকা সংগ্রহের আগে তাদের ও পরিবারের খোঁজখবর নিতে হবে। কোনো গ্রাহক অসুস্থ হলে, দুর্ঘটনায় পড়লে কিংবা বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়াতে হবে।

 

মোহাম্মদ রায়হান জানান, ওয়ালটন প্লাজার প্রতিটি নতুন আউটলেট প্রায় আট থেকে ১০টি পরিবারের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে। হেলথকেয়ার কর্মকর্তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে নিয়মিত পুরস্কারের ব্যবস্থা এবং কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। কর্মীদের মধ্য থেকেই একদিন কেউ ওয়ালটন প্লাজার শীর্ষ নেতৃত্বে আসবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

 

হেলথকেয়ার অফিসারদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া, তাদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ভবিষ্যতে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি ভালো কাজের মাধ্যমে অন্য কর্মকর্তাদেরও স্বীকৃতি অর্জনে অনুপ্রাণিত করতে চায় ওয়ালটন।

উল্লেখ্য, ওয়ালটন প্লাজার ৭০০-এর বেশি কেন্দ্রের মাধ্যমে হেলথকেয়ার অফিসাররা গ্রাহকদের সেবা দিয়ে আসছেন। এছাড়া, হেলথকেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস প্রজেক্টের আওতায় গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, টেলিমেডিসিন সেবা (০৯৬০৬-৯৯০০২৯) হটলাইন চালু রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *