কিস্তি ক্রেতা স্বামীর মৃত্যুতে স্ত্রীকে ওয়ালটন প্লাজার লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

স্টাফ রিপোর্টার

কিস্তিতে পণ্য কেনার পর ক্রেতার মৃত্যুতে গ্রাহকের পরিবারকে ১ লাখ টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা দিয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা।

টাঙ্গাইলের আদালত রোড ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তি সুবিধায় একটি এসি কিনে কয়েকটি কিস্তি পরিশোধ করার পর স্ট্রোকজনিত কারণে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন গ্রাহক শফিকুল ইসলাম। এর প্রেক্ষিতে ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতির’ আওতায় তার কিস্তির বাকি টাকা মওকুফ করে পরিবারকে বাড়তি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ক্রেতাদের জন্য ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’ চালু করেছে ওয়ালটন প্লাজা। এর আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারীদের কিস্তি সুরক্ষা কার্ড দেওয়া হচ্ছে। কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় ক্রেতার মৃত্যু হলে পণ্যমূল্যের ভিত্তিতে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ এবং তার পরিবারের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পণ্যের অনাদায়ী কিস্তির টাকা সমন্বয়ের পর অবশিষ্ট টাকা ক্রেতা বা তার পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের আদালত রোড ওয়ালটন প্লাজায় আনুষ্ঠানিকভাবে শফিকুলের স্ত্রী আতিয়া আক্তার লীনার হাতে আর্থিক সহায়তা বাবদ ১ লাখ ৫৮২ টাকা তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ইথেন, সাবেক কাউন্সিলর সুজাউল করিম মানিক, টাঙ্গাইল সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ লাভলু মিয়া লাবু এবং ওয়ালটনের চিফ ডিভিশনাল অফিসার শাহাদত হোসেন।

জানা গেছে, মৃত ক্রেতা শফিকুল ইসলাম চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২৪ তারিখে ওয়ালটন প্লাজা থেকে ১ লাখ ১৮ হজার ১৫২ টাকা দিয়ে কিস্তিতে ওই এসিটি কেনেন। কিন্তু ৫টি কিস্তি পরিশোধের পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আতিয়া আক্তার নীলা বলেন, স্বামীর মৃত্যুতে অসহায় অবস্থায় পড়ি আমরা। কিস্তি চালানোর অবস্থায় ছিলাম না। আমাদের বিপদের দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *