চার বছরের আক্ষেপ ঘোচাল শ্রীলঙ্কা
চার বছর ঘরের মাঠে কোনো ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি শ্রীলঙ্কা। সাঙ্গাকারা, জয়াবর্ধনে এবং তিলকারত্নে দিলশানদের একসঙ্গে অবসরের কারণে ঘরের মাঠে
ক্রীড়া (ইংরেজি: Sport) হচ্ছে একটি সংগঠিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিনোদনধর্মী এবং দক্ষতাসূচক শারীরিক কার্যকলাপ প্রদর্শনের উত্তম ক্ষেত্র। শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তা, কলা-কৌশল এবং সুস্থ ক্রীড়া প্রদর্শন করে একজন বিজয়ী তার অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর নিদর্শন রাখতে পারেন। এটি পরিচালিত হয় একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন বা নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যম।
খেলার প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শারীরিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও মর্যাদা যাতে বিজয়ী এবং বিজিত পক্ষ নির্ধারিত হয়। শারীরিক সক্ষমতা হিসেবে মানুষ, প্রাণীসহ বল, যন্ত্র ইত্যাদি সরঞ্জামাদি জড়িত। এছাড়াও মনঃস্তাত্তিক খেলাধুলা হিসেবে কার্ড গেম এবং বোর্ড গেম রয়েছে। এগুলোর কিছু আবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত।
শারীরিক ইভেন্টগুলো যেমন গোল করা কিংবা নির্দিষ্ট রেখা অতিক্রম করলে খেলায় ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও, ডাইভিং, ফিগার স্কেটিংয়ে খুব ভাল করার দক্ষতা যাচাই ও প্রদর্শন করা অন্যতম বিচার্য বিষয়। ব্যতিক্রম হিসেবে বডি বিল্ডিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোয় দক্ষতা প্রদশর্নকে গণ্য করা হয় না।
প্রতিটি খেলার ফলাফলই রেকর্ড হিসেবে রাখা হয় এবং সর্বদাই অধিকাংশ খেলাগুলোতে সর্বোচ্চ পর্যায়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার মাধ্যমে খেলাধূলার সংবাদে প্রচার করা হয়। বেশীরভাগ খেলাধূলাই শুধুমাত্র নিছক আনন্দ, মজা অথবা মানুষের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শারীরিক সক্ষমতার লক্ষ্যে ব্যয়ামের জন্য করা হয়। অধিকন্তু, পেশাদারী খেলাধূলা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যমও বটে।
খেলাধূলা চর্চার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সুন্দর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলোয়ারসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আচরণগুলোর মধ্যে – ব্যক্তিগত আচরণ পরিবর্তনসহ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, বিচারক(বৃন্দ)কে ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং হেরে গেলে বিজয়ীকে অভিনন্দন প্রদান করা অন্যতম।
চার বছর ঘরের মাঠে কোনো ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি শ্রীলঙ্কা। সাঙ্গাকারা, জয়াবর্ধনে এবং তিলকারত্নে দিলশানদের একসঙ্গে অবসরের কারণে ঘরের মাঠে
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতার পরই কোচিং স্টাফ ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে চাকরি হারান হেড কোচ স্টিভ রোডস, পেস
রিয়াল মাদ্রিদের জালে গোলউৎসব করলো নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। সিমিওনের শিষ্যরা গুণে গুণে সাত গোল দিয়েছে জিদানের শিষ্যদের। দিয়েগো কস্তা
এর চেয়ে মধুর বিদায় আর কী হতে পারত! ঘরের মাঠে গ্যালারিভর্তি দর্শকের সামনে লাসিথ মালিঙ্গাকে জয় উপহার দিয়েই বিদায় দিলেন
বয়স মাত্র ২৭। এই সময়ে তো ক্যারিয়ারের সুন্দর সময়টা মাত্র শুরু হয় ক্রিকেটারদের। আর ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজাত ফরমেট তো টেস্টই,
আগস্টের ১ তারিখে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। যেখানে টেস্ট ক্রিকেটেও জার্সি
খেলোয়াড়দের কিছু বাধকতা থাকে। তারা চাইলেই যে কোনো মন্তব্য করতে পারেন না। তবে ব্রাজিলের মাঠে কোপা আমেরিকায় সেমিফাইনাল থেকে আর্জেন্টিনা
তানজিম হাসান সাকিবের দুর্দান্ত বোলিং ও তৌহিদ হৃদয়-শাহাদাত হোসেনদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।
১০০ মিলিয়ন ইউরোয় টটেনহ্যাম থেকে বেশ ঘটা করেই কিনে নিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এরপর গ্যারেথ বেলের নামই হয়ে গিয়েছিল, হান্ড্রেড মিলিয়ন
বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। বিশ্বকাপের পরপরই এই সিরিজকে নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। যে কারণে
অবিশ্বাস্য এক ফাইনাল ম্যাচ উপহার দিয়েছে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। শেষমেশ নিয়ম রক্ষার খাতিরে বিশ্বকাপ ট্রফি ইংল্যান্ডের কপালে জুটলেও নিউজিল্যান্ড দুর্দান্ত
বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে তিনদিন হলো। এখন এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ইতিমধ্যেই আইসিসি তাদের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে।
ব্যর্থতা যেন পিছু ছাড়ছে না বাংলাদেশের। ক’দিন আগেই হতাশা নিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফিরেছে জাতীয় দল। সেই হতাশা এবার
মূল ম্যাচের নির্ধারিত ১০০ ওভারের খেলায় পিছিয়ে ছিল না কেউই। আগে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ডের করা ২৪১ রানের জবাবে, নিজেদের ৫০
ক্রিস ওকসের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে সপ্তম ওভারেই সাজঘরের পথ দেখতে হয়েছে মার্টিন গাপটিলকে। ইংলিশ পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মনে হচ্ছিল নিয়মিত
একেই বলে প্রকৃত সেমিফাইনাল। সত্যিকারের ব্যাট-বলের লড়াই। যার পরতে পরতে জড়িয়ে উত্তেজনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বলা যাচ্ছিল না, নিউজিল্যান্ড না
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগেই ছিলো মুষলধারে বৃষ্টির আশঙ্কা। ভয় ছিলো হয়তো ম্যাচ শুরুই করা যাবে না। তা হয়নি। যথাসময়ে ম্যাচ শুরু