কোরবানি সামনে রেখে চাঙা ফ্রিজের বাজার
পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু কোরবানিকে সামনে রেখে জমে উঠেছে ফ্রিজের বাজার। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমে বাড়ছে ক্রেতা সমাগম। কোনো কোনো শোরুমে ফ্রিজ কেনার পর টাকা জমা দিতে ব্যবস্থাপকের সামনে ক্রেতাদের অপেক্ষা করতেও দেখা গেছে।
ফ্রিজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, গত বছরের তুলনায় কোনো কোনো ব্র্যান্ডের ফ্রিজ বিক্রি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে বড় আকারের ও ইনভার্টার প্রযুক্তির ফ্রিজের চাহিদা এবার বেশি।
কোরবানিতেই বিক্রি হয় ৩৫-৫০ শতাংশ ফ্রিজ
বাংলাদেশে ফ্রিজ বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্য না পেলেও ফ্রিজ উৎপাদনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যমতে, দেশে ফ্রিজের বাজারের আকার অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা। দেশের বাজারে বছরে ২৫ থেকে ৩০ লাখ ফ্রিজ বিক্রি হয়। এর মধ্যে কোরবানির ঈদে বিক্রি হয় ৯ থেকে ১০ লাখ ইউনিট। ফলে কোরবানির ঈদই ফ্রিজ বিক্রির সবচেয়ে বড় মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হয়।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে যে পরিমাণ ফ্রিজ বিক্রি হয়, তার ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশই বিক্রি হয় কোরবানির ঈদ কেন্দ্র করে। আর দুই ঈদে বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ, যার বড় অংশই হয় কোরবানির ঈদে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির মাংস সংরক্ষণের প্রয়োজন বাড়ায় অনেকেই নতুন ফ্রিজ বা ডিপ ফ্রিজ কেনেন। এ কারণে ঈদুল আজহার সময়টিকে ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম বলা হয়।
