বেলের হ্যাটট্রিকে ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ
বড় টুর্নামেন্টে রিয়াল মাদ্রিদ এখনো যে বিশ্বসেরা সেটা আরও একবার প্রমাণ করলো তারা। ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়ন কাশিমা
ক্রীড়া (ইংরেজি: Sport) হচ্ছে একটি সংগঠিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিনোদনধর্মী এবং দক্ষতাসূচক শারীরিক কার্যকলাপ প্রদর্শনের উত্তম ক্ষেত্র। শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তা, কলা-কৌশল এবং সুস্থ ক্রীড়া প্রদর্শন করে একজন বিজয়ী তার অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর নিদর্শন রাখতে পারেন। এটি পরিচালিত হয় একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন বা নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যম।
খেলার প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শারীরিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও মর্যাদা যাতে বিজয়ী এবং বিজিত পক্ষ নির্ধারিত হয়। শারীরিক সক্ষমতা হিসেবে মানুষ, প্রাণীসহ বল, যন্ত্র ইত্যাদি সরঞ্জামাদি জড়িত। এছাড়াও মনঃস্তাত্তিক খেলাধুলা হিসেবে কার্ড গেম এবং বোর্ড গেম রয়েছে। এগুলোর কিছু আবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত।
শারীরিক ইভেন্টগুলো যেমন গোল করা কিংবা নির্দিষ্ট রেখা অতিক্রম করলে খেলায় ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও, ডাইভিং, ফিগার স্কেটিংয়ে খুব ভাল করার দক্ষতা যাচাই ও প্রদর্শন করা অন্যতম বিচার্য বিষয়। ব্যতিক্রম হিসেবে বডি বিল্ডিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোয় দক্ষতা প্রদশর্নকে গণ্য করা হয় না।
প্রতিটি খেলার ফলাফলই রেকর্ড হিসেবে রাখা হয় এবং সর্বদাই অধিকাংশ খেলাগুলোতে সর্বোচ্চ পর্যায়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার মাধ্যমে খেলাধূলার সংবাদে প্রচার করা হয়। বেশীরভাগ খেলাধূলাই শুধুমাত্র নিছক আনন্দ, মজা অথবা মানুষের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শারীরিক সক্ষমতার লক্ষ্যে ব্যয়ামের জন্য করা হয়। অধিকন্তু, পেশাদারী খেলাধূলা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যমও বটে।
খেলাধূলা চর্চার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সুন্দর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলোয়ারসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আচরণগুলোর মধ্যে – ব্যক্তিগত আচরণ পরিবর্তনসহ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, বিচারক(বৃন্দ)কে ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং হেরে গেলে বিজয়ীকে অভিনন্দন প্রদান করা অন্যতম।
বড় টুর্নামেন্টে রিয়াল মাদ্রিদ এখনো যে বিশ্বসেরা সেটা আরও একবার প্রমাণ করলো তারা। ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়ন কাশিমা
ভিত্তিমূল্য (বেস প্রাইজ) ছিল মাত্র ২০ লাখ রুপি। বিক্রি হলেন ৮ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে! হ্যাঁ, আইপিএলে নিলামে এমনই কপাল
সম্পূর্ণ একটি মেসিময় ম্যাচ। লেভান্তের মাঠে গিয়ে যেন স্বাগতিকদের বিপক্ষে একাই খেললেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন তারকা। নিজে করলেন হ্যাটিট্রক। সঙ্গে সতীর্থদের
১৯৭০ সাল থেকে শুরু করে গতবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪৭ বছরে মোট ৮৮টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পার্থের বিখ্যাত ওয়াকা গ্রাউন্ডে।
আগেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করায় গ্রুপের শেষ ম্যাচটি ম্যানচেস্টার সিটির জন্য ছিলো নেহায়েত নিয়ম রক্ষার। তবু ছিলো গ্রুপ সেরা হয়ে
যতটুকু দরকার ছিল ততটুকুই করল লিভারপুল। ততটুকু এনে দেয়ার নায়ক মোহামেদ সালাহ। মিশরীয় ফরোয়ার্ডের দুর্দান্ত গোলে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নাপোলিকে ১-০
ড্র করলেই নানা সমীকরণের জটিলতায় যেতে হবে। কিন্তু সব জটিলতাকে পাশ কাটিয়ে রেড স্টারকে তাদের মাটিতেই ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট
সাধারণত টস ভাগ্যটা খুব একটা খারাপ নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি
আর মাসদেড়েক পরে অপেক্ষাটা বেড়ে হয়ে যেতে পারতো ১১ বছর। চলতি সফরে কোনো ম্যাচ না জিতলেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১১ বছর
সমালোচনার জবাব বুঝি এভাবেই দিতে হয়! যেই মেসি জিতেছেন পাঁচটি ব্যালন ডি’অর সেই মেসিই এবার ব্যালনের লিস্টে ছিলেন পাঁচ নাম্বারে।
প্রিমিয়ার লিগে জেমস মিলনারের ৫০০তম ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন মোহামেদ সালাহ। মূলত তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই বোর্নমাউথকে তাদের মাটিতেই ৪-০ ব্যবধানে
খেলোয়াড় ও অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলির তুলনা নেই। মাঠের বাইরেও ভারতীয় অধিনায়ক ভীষণ ভদ্র। তবে মাঠে তার আচরণ অনেক সময়
বিশ্বরেকর্ড গড়তে পারতেন প্রথম ইনিংসেই। কিন্তু তাকে সুযোগ না দিয়ে বিলাস আসিফ পাঁচ উইকেট নিয়ে নেয়ায় অপেক্ষা বাড়ে মাইলফলকের। তবে
ঘরের মাঠে বাঘ, বিদেশে বিড়াল। ভারতের সঙ্গে এই প্রবাদটা একদম আঠার মতো জুড়ে গিয়েছিল। বিরাট কোহলি নেতৃত্ব নেয়ার পর অবশ্য
২০০৮ সালের ২ ডিসেম্বর শুরু, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বরে শেষ। দশ বছর আগে যেদিন শুরু হয়েছিল ব্যালন ডি’অর পুরষ্কারে লিওনেল
রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে হার ও অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ড্র করে পাঁচ পয়েন্ট হারিয়েছিল বার্সেলোনা। যে কারণে তাদের পেছনে ফেলে পয়েন্ট
টেস্ট ক্রিকেটে যাত্রা শুরুর পর থেকে এমন একটি দিনেরই স্বপ্ন দেখে এসেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ১১২টি টেস্ট খেলা হয়েছে বাংলাদেশের। এর