পেরুর কাছে নেইমারদের হার
পেরুর মতো খর্বশক্তির দলের বিপক্ষে ম্যাচ বলেই কি না, ম্যাচের মূল একাদশে নেইমারকে রাখলেন না ব্রাজিল কোচ তিতে। আক্রমণভাগে সুযোগ
ক্রীড়া (ইংরেজি: Sport) হচ্ছে একটি সংগঠিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিনোদনধর্মী এবং দক্ষতাসূচক শারীরিক কার্যকলাপ প্রদর্শনের উত্তম ক্ষেত্র। শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তা, কলা-কৌশল এবং সুস্থ ক্রীড়া প্রদর্শন করে একজন বিজয়ী তার অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর নিদর্শন রাখতে পারেন। এটি পরিচালিত হয় একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন বা নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যম।
খেলার প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শারীরিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও মর্যাদা যাতে বিজয়ী এবং বিজিত পক্ষ নির্ধারিত হয়। শারীরিক সক্ষমতা হিসেবে মানুষ, প্রাণীসহ বল, যন্ত্র ইত্যাদি সরঞ্জামাদি জড়িত। এছাড়াও মনঃস্তাত্তিক খেলাধুলা হিসেবে কার্ড গেম এবং বোর্ড গেম রয়েছে। এগুলোর কিছু আবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত।
শারীরিক ইভেন্টগুলো যেমন গোল করা কিংবা নির্দিষ্ট রেখা অতিক্রম করলে খেলায় ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও, ডাইভিং, ফিগার স্কেটিংয়ে খুব ভাল করার দক্ষতা যাচাই ও প্রদর্শন করা অন্যতম বিচার্য বিষয়। ব্যতিক্রম হিসেবে বডি বিল্ডিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোয় দক্ষতা প্রদশর্নকে গণ্য করা হয় না।
প্রতিটি খেলার ফলাফলই রেকর্ড হিসেবে রাখা হয় এবং সর্বদাই অধিকাংশ খেলাগুলোতে সর্বোচ্চ পর্যায়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার মাধ্যমে খেলাধূলার সংবাদে প্রচার করা হয়। বেশীরভাগ খেলাধূলাই শুধুমাত্র নিছক আনন্দ, মজা অথবা মানুষের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শারীরিক সক্ষমতার লক্ষ্যে ব্যয়ামের জন্য করা হয়। অধিকন্তু, পেশাদারী খেলাধূলা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যমও বটে।
খেলাধূলা চর্চার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সুন্দর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলোয়ারসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আচরণগুলোর মধ্যে – ব্যক্তিগত আচরণ পরিবর্তনসহ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, বিচারক(বৃন্দ)কে ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং হেরে গেলে বিজয়ীকে অভিনন্দন প্রদান করা অন্যতম।
পেরুর মতো খর্বশক্তির দলের বিপক্ষে ম্যাচ বলেই কি না, ম্যাচের মূল একাদশে নেইমারকে রাখলেন না ব্রাজিল কোচ তিতে। আক্রমণভাগে সুযোগ
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মাঠে নামবেন, আর গোল বন্যা বয়ে যাবে না, তেমন ম্যাচ খুব কমই দেখা গেছে। মঙ্গলবার রাতে তেমন দৃশ্য
টম মুডি, মাইক হেসনের মতো হাইপ্রোফাইল বিদেশি কোচকে পেছনে ফেলে আবারও ভারতের হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রবি শাস্ত্রী। শুধু
বাংলাদেশ দল ঘরের মাঠে টেস্টে এমন খেলছে? সেটাও আবারও ক্রিকেটের নবীশ দল আফগানিস্তানের বিপক্ষে? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল
আফগানিস্তানের ৩৪২ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৭০.৫ ওভার খেলে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ২০৫ রানে। ফলে ১৩৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার
ক্যারিয়ারটা তার শেষ সময়ে। ফিটনেসও সেভাবে ধরে রাখতে পারছেন না, তার পেটে মেদ জমেছে। তবে লাসিথ মালিঙ্গার ফর্ম যেন রয়ে
আফগানদের সঙ্গে একমাত্র টেস্ট। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টের বল গড়াবে আর কিছুক্ষণ পরই। তার আগে অনুষ্ঠিত হয়ে
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে কোনো কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছে না শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়েও কিউইদের হারাতে পারছে
ম্যাচের ফল কি হতে যাচ্ছে, আন্দাজ করা যাচ্ছিল তৃতীয় দিন শেষেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে চতুর্থ ইনিংসে ৪৬৮ রানের প্রায় অসম্ভব
জাসপ্রিত বুমরাহর বোলিং অ্যাকশনটা আর দশজনের মতো নয়। কিছুটা অদ্ভুত। তবে বোলিংয়ের সময় ভারতীয় এই পেসারের কনুই আইসিসির বেঁধে দেয়া
গত ম্যাচে বার্সেলোনার হয়ে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার পর লিওনেল মেসি জড়িয়ে ধরেছিলেন আনসু ফাতিকে। কানে কানে কী মন্ত্রণা
দ্বিতীয় দিনের প্রথম বলেই রিশাভ পান্তকে সাজঘরে পাঠিয়ে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। পরে তিনি পূরণ করেছেন
ভারতের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের শুরু থেকেই চলছে রাহকীম কর্নওয়ালকে নিয়ে আলোচনা। সেটা উত্তেজনায় রূপ নিল কাল, যখন কর্নওয়ালের মাথায় টেস্ট
ঐতিহ্য ধরে রেখেছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ীল হাতেই মূলতঃ তারা তুলে দেন বছরের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার।
ক্রিকেটের সঙ্গে ক্যারম খেলার যে সমন্বয় করা যায়- তা সর্বপ্রথম দেখিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার রহস্য স্পিনার অজান্তা মেন্ডিস। ক্যারমের স্ট্রাইকারে টোকা দেয়ার
অবিশ্বাস্য! এমন ক্যারিয়ারও কারও হয়। যেখানে কোনো এক ক্রিকেটার বড় জোর ৪০-৪১ বছর বয়স পর্যন্ত ক্যারিয়ারকে টেনে নিতে পারেন, সেখানে
প্রথমে শোনা যাচ্ছিল ৩০ আগস্টের মধ্যেই অর্থাৎ ২৭-২৮ তারিখের দিকে হবে আসন্ন টেস্ট ও ত্রিদেশীয় সিরিজের দল ঘোষণা। পরে শোনা