বিশ্ব বসতি দিবসের মেলায় টেকসই আবাসনের প্রযুক্তি দেখাচ্ছে ওয়ালটন

স্টাফ রিপোর্টার

বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত এবারের মেলায় আবাসনকে শুধু ভবন নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিরাপদ, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার নানা সমাধান তুলে ধরছে দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। ৫, ৬ ও ৭ অক্টোবরের আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির স্টলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ব্যাটারি ও এনার্জি স্টোরেজ, এয়ার কন্ডিশনার, লিফট এবং সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক প্রযুক্তি।

বিশেষ করে ওয়ালটনের সোলার ব্র্যান্ড সানবাইট এবারের প্রদর্শনীতে আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ও প্রয়োজনের সময়ে ব্যবহারের জন্য সানবাইটের এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম, ইনভার্টারসহ বিভিন্ন সমাধান দেখানো হচ্ছে। ওয়ালটনের বর্তমান পণ্যতালিকায় সানবাইটের ৩০০ ওয়াট, ৫০০ ওয়াট ও  এক হাজার  ওয়াট এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমের পাশাপাশি ৩ কিলোওয়াট/২ দশমিক ৫৬ কিলোওয়াটঘণ্টা এবং ৬ কিলোওয়াট/১০ দশমিক ২৪ কিলোওয়াটঘণ্টা ক্ষমতার সিস্টেম রয়েছে।

আবাসিক ভবন, অফিস কিংবা ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধু সৌর প্যানেল বসানো নয়, উৎপাদিত বিদ্যুৎ কীভাবে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময়ে ব্যবহার করা যাবে—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই জায়গাতেই সানবাইটের এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম ও হাইব্রিড ইনভার্টারকে সামনে আনছে ওয়ালটন।

ওয়ালটনের তথ্য অনুযায়ী, সানবাইট এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম ৬ কিলোওয়াট/১০ কিলোওয়াটঘণ্টা মডেলে লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ইনভার্টার, ম্যাক্সিমাম পাওয়ার পয়েন্ট ট্র্যাকিং চার্জার ও এসি চার্জার সমন্বিতভাবে রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রিড ও সোলার—দুই উৎস থেকেই চার্জ নেওয়ার সুবিধা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এই মডেলের ব্যাটারি ৬ হাজারের বেশি চার্জ-ডিসচার্জ সাইকেলের জন্য নকশা করা এবং ব্যাটারির জন্য পাঁচ বছর ও ইনভার্টারের জন্য তিন বছরের ওয়ারেন্টি দেওয়া হচ্ছে।

সানবাইটের ছোট আকারের এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমও আবাসিক ব্যবহারের জন্য তুলে ধরা হচ্ছে। যেমন এক হাজার ওয়াটের এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমে ২ কিলোওয়াটঘণ্টা ব্যাটারি ক্যাপাসিটি, এসি ও ডিসি—দুই ধরনের লোড পরিচালনার সুবিধা এবং এসি ও ম্যাক্সিমাম পাওয়ার পয়েন্ট ট্র্যাকিং সোলার চার্জিং ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে ব্যাকআপের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ করার সুযোগও থাকছে।

মেলায় ব্যাটারি ও এনার্জি সল্যুশন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ওয়ালটনের ব্যাটারি গবেষণা ও উদ্ভাবন বিভাগের রায়ান মো. মঈনউদ্দিন বলেন, আবাসিক ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় এখন শুধু ব্যাকআপ নয়, দীর্ঘস্থায়ী ও স্মার্ট এনার্জি স্টোরেজের চাহিদা বাড়ছে। সেই চাহিদা বিবেচনায় ব্যাটারির সক্ষমতা, নিরাপত্তা, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার এবং সোলারের সঙ্গে সমন্বয়— এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছে ওয়ালটন।

একই বিষয়ে সিএসডি-ব্র্যান্ড ব্যাটারি বিভাগের শাহাদাত হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে এনার্জি স্টোরেজের প্রয়োজনও বাড়ছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ দিনের বেলায় উৎপাদিত হলেও সন্ধ্যা ও রাতে এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যাটারি স্টোরেজ গুরুত্বপূর্ণ। সানবাইটের মতো সমাধান এ ক্ষেত্রে আবাসিক ও ছোট বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

আধুনিক এসির ক্ষেত্রে শুধু কুলিং পারফরম্যান্স নয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, স্মার্ট নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওয়ালটনের সাম্প্রতিক স্মার্ট এসিতে এআই-ভিত্তিক বিভিন্ন ফিচার, অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল, স্মার্ট মনিটরিং এবং সোলার হাইব্রিড অপারেশনের মতো প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ওয়ালটন এমন একটি স্মার্ট এসি উন্মোচন করেছে, যার বিভিন্ন ইন-হাউস প্রযুক্তি পেটেন্ট সনদও পেয়েছে।

সোলার থেকে সরাসরি এসি চালানোর প্রযুক্তি

মেলার আরেকটি আকর্ষণ ওয়ালটনের সোলার হাইব্রিড এসি। প্রচলিত এসির পাশাপাশি ওয়ালটন এখন এমন এসিও বাজারে রেখেছে, যা গ্রিডের বিদ্যুতের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উপযোগী। বর্তমানে ওয়ালটনের পণ্যতালিকায় ১ টন ও ১ দশমিক ৫ টন ক্ষমতার সোলার হাইব্রিড এসি রয়েছে। এসব মডেলে আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হাইব্রিড অপারেশনের জন্য ডিসি ৪৮–৪০০ ভোল্ট পর্যন্ত ইনপুট সমর্থন করে।

ওয়ালটনের ১ টন সোলার হাইব্রিড এসির একটি মডেলে ১২ হাজার বিটিইউ/ঘণ্টা কুলিং ক্যাপাসিটি এবং ৯২৫ ওয়াট রেটেড ইনপুট পাওয়ার রয়েছে। অন্যদিকে ১ দশমিক ৫ টনের মডেলে ১৮ হাজার বিটিইউ/ঘণ্টা কুলিং ক্যাপাসিটি রয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই সোলার ও গ্রিডভিত্তিক ব্যবহারের সমন্বয় করা হয়েছে।

ওয়ালটন এসির গবেষণা ও উদ্ভাবন বিভাগের আতিফ রায়হান বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে দিনের বড় একটি সময়ে পর্যাপ্ত সৌর আলো পাওয়া যায়। ফলে এসির মতো তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী যন্ত্রে সৌরবিদ্যুৎকে যুক্ত করা গেলে গ্রিডের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি ব্যবহারকারীর বিদ্যুৎ ব্যয়ের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ ধরনের প্রযুক্তিকে আরও সহজলভ্য করার জন্য পণ্য উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এসি বিভাগের আরিফুল ইসলাম বলেন, আধুনিক এসির ক্ষেত্রে শুধু কুলিং পারফরম্যান্স নয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, স্মার্ট নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওয়ালটনের সাম্প্রতিক স্মার্ট এসিতে এআই-ভিত্তিক বিভিন্ন ফিচার, অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল, স্মার্ট মনিটরিং এবং সোলার হাইব্রিড অপারেশনের মতো প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ওয়ালটন এমন একটি স্মার্ট এসি উন্মোচন করেছে, যার বিভিন্ন ইন-হাউস প্রযুক্তি পেটেন্ট সনদও পেয়েছে।

এদিকে ওয়ালটনের বর্তমান এসি পণ্যতালিকায় আর-২৯০ রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহৃত মডেলও রয়েছে। পাশাপাশি আর-৩২ রেফ্রিজারেন্টভিত্তিক বিভিন্ন ইনভার্টার ও সোলার হাইব্রিড এসি বাজারে রয়েছে।

লিফটে দেশীয় উৎপাদনের বিস্তার

আবাসন ও বহুতল ভবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত আরেকটি প্রযুক্তি লিফট। মেলায় ওয়ালটনের লিফট বিভাগও বিভিন্ন ধরনের লিফট প্রদর্শন করছে। প্যাসেঞ্জার লিফটের পাশাপাশি কার্গোসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহারের উপযোগী লিফট উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ওয়ালটনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে দেশে বিশ্বমানের লিফট উৎপাদনের উদ্যোগ নেয় প্রতিষ্ঠানটি। এরপর লিফটের উৎপাদন অবকাঠামো, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে ৫০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। নিজস্ব কারখানায় উচ্চনির্ভুলতার যন্ত্রপাতি এবং আলাদা কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবের মাধ্যমে উৎপাদন ও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

লিফট বিভাগের এইচওএস মাহফুজুর রহমান বলেন, দেশে বহুতল ভবন বাড়ার সঙ্গে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য লিফটের চাহিদাও বাড়ছে। আমদানিনির্ভরতার পরিবর্তে দেশেই আধুনিক প্রযুক্তির লিফট উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হলে গ্রাহকের জন্য মূল্য ও বিক্রয়োত্তর সেবার ক্ষেত্রে সুবিধা তৈরি হবে।

লিফট বিভাগের ডিএসএম মিজানুর রহমান বলেন, লিফটের ক্ষেত্রে শুধু গতি বা নকশা নয়, নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ালটনের নিজস্ব পরীক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এনএসএম ফাহাদ আল সাবা হক বলেন, আবাসিক ভবনের পাশাপাশি হাসপাতাল, শপিং মল, অফিস ও শিল্পকারখানায় লিফটের ব্যবহার বাড়ছে। তাই ভবনের ধরন ও ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের লিফট সরবরাহের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

লিফট বিভাগের ডিএসএম মিজানুর রহমান বলেন, লিফটের ক্ষেত্রে শুধু গতি বা নকশা নয়, নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ালটনের নিজস্ব পরীক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ওয়ালটনের লিফট বিভাগে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের প্যাসেঞ্জার ও কার্গো লিফট রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন ব্যবস্থায় জার্মানির ট্রুপাঞ্চ ও ট্রুবেন্ড, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াটার জেট কাটিং মেশিন এবং তাইওয়ানের ইউনিভার্সাল মিলিং মেশিনের মতো আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্মার্ট ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী আবাসনের দিকে

বিশ্ব বসতি দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ও বৈশ্বিক আলোচনায় নিরাপদ, পর্যাপ্ত ও টেকসই আবাসনের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বিশ্ব বসতি দিবস গত ৫ অক্টোবর পালিত হয়েছে এবং এ বছরের বৈশ্বিক আলোচনায় সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন, জলবায়ু সহনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন গুরুত্ব পেয়েছে।

এই বাস্তবতায় আবাসন খাতের প্রযুক্তিপণ্যও বদলে যাচ্ছে। একটি আধুনিক ভবনে শুধু নির্মাণসামগ্রী নয়—নিরাপদ লিফট, কম বিদ্যুৎ খরচের এসি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যাটারি এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ওয়ালটনে  শুরু হওয়া এবারের প্রদর্শনীতে সেই সমন্বিত চিত্রই তুলে ধরা হচ্ছে। একদিকে সোলার হাইব্রিড এসি, অন্যদিকে সানবাইটের এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম ও ইনভার্টার; এর সঙ্গে ব্যাটারি প্রযুক্তি ও দেশীয়ভাবে উৎপাদিত লিফট—সব মিলিয়ে আবাসনকে আরও জ্বালানি-সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর করার বিভিন্ন সমাধান দেখাচ্ছে প্রতিষ্ঠান, ৬ দশমিক ২ কিলোওয়াট, ১২ কিলোওয়াট ও ১৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত ইনভার্টার রয়েছে। এসব ইনভার্টারের মধ্যে ম্যাক্সিমাম পাওয়ার পয়েন্ট ট্র্যাকিং সোলার চার্জিং, লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্যাটারি সামঞ্জস্য, স্মার্ট ব্যাটারি প্রটেকশন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাইব্রিড বা অফ-গ্রিড ব্যবহারের সুবিধটি।

বিশেষ করে সানবাইটের পণ্যসারিতে বর্তমানে ১ দশমিক ২ কিলোভিএ/১ হাজার ২০০ ওয়াট থেকে শুরু করে ৪ দশমিক ২ কিলোওয়াট, ৬ দশমিক ২ কিলোওয়াট, ১২ কিলোওয়াট ও ১৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত ইনভার্টার রয়েছে। এসব ইনভার্টারের মধ্যে ম্যাক্সিমাম পাওয়ার পয়েন্ট ট্র্যাকিং সোলার চার্জিং, লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্যাটারি সামঞ্জস্য, স্মার্ট ব্যাটারি প্রটেকশন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাইব্রিড বা অফ-গ্রিড ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

ফলে এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের মেলায় ওয়ালটনের অংশগ্রহণ শুধু গৃহস্থালি ইলেকট্রনিক্স প্রদর্শনের মধ্যে সীমিত থাকছে না। বরং বিদ্যুৎ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও ব্যবহার—এই তিনটি স্তরকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতের স্মার্ট ও টেকসই আবাসনের জন্য দেশীয় প্রযুক্তির সম্ভাবনাকেই সামনে আনা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *