এক্সেটারকে ১০ গোলে বিধ্বস্ত করলো ম্যানসিটি

স্টাফ রিপোর্টার

অভিষেকেই নজর কাড়লেন আঁতেয়ান সেমেনিওর। গোল করলেন প্রথমবারের মতো ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মাঠে নেমেই। এক্সেটার সিটিকে বিধ্বস্ত করেছে ১০-১ গোলে। এই জয়ে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে উঠে গেছে ম্যানসিটি।

মৌসুমে তিনটি হলুদ কার্ডের কারণে এক ম্যাচের টাচলাইন নিষেধাজ্ঞা ভোগ করায় স্ট্যান্ডে বসে ম্যাচ দেখেন কোচ পেপ গার্দিওলা। তবু শক্তিশালী একাদশ নামিয়ে শুরু থেকেই দুই স্তর নিচের প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য দেখায় সিটি।

সিটির হয়ে ১২ মিনিটে গোলের সূচনা করেন ম্যাক্স অ্যালেইন। ২৪ মিনিটে রদ্রি ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে ব্যবধান করেন ২-০। বিরতির আগে জেক ডয়েল-হায়েস ও জ্যাক ফিটজওয়াটারের আত্মঘাতী গোলে এক্সেটারের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে সিটি। এই অর্ধে আরও ৬ গোল করে পেপের শীষ্যরা। সময়টা দুঃস্বপ্নে রূপ নেয় জন্য। দলে যোগ দিয়েই সেমেনিও ক্রস করেন রিকো লুইসকে, বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি তিনি। এরপর নিজেই দারুণ ফিনিশে গোলের খাতা খোলেন সেমেনিও। ম্যানসিটির হয়ে অভিষেকেই গোল করলেন তিনি।

তিজানি রেইনডার্সের বাঁকানো শট, নিকো ও’রেইলির হেডার ও রায়ান ম্যাকআইডুর জোরালো শটে একের পর এক গোল যোগ হতে থাকে।

১৯ বছর বয়সী জর্জ বির্চ শেষ দিকে এক্সেটারের হয়ে সান্ত্বনাসূচক একটি গোল করে স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করেন। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে রিকো লুইসের গোলেই পূর্ণতা পায় সিটির দশ গোলের উৎসব।

এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে হাডার্সফিল্ড টাউনের বিপক্ষে পাওয়া ১০-১ জয়ের রেকর্ডের পুনরাবৃত্তি করল ম্যানচেস্টার সিটি।

কাকতালীয়ভাবে দুই ম্যাচেই প্রথমার্ধ শেষে স্কোর ছিল ৪-০, এরপর ৯-০, প্রতিপক্ষের একটি গোলের পর শেষ পর্যন্ত পৌঁছায় ১০-১এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *