বিজনেস২৪বিডি ডেস্ক »

কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলো শিশুর আত্মসম্মানকে নষ্ট করে দেয়। আর অভিভাবকরা প্রতিনিয়ত হয়তো শিশুর সঙ্গে জেনে বা না জেনে এই কাজগুলো করেন। ভাবেন, হয়তো এগুলো শিশুর জন্য ভালো। আসলে হয়তো হিতে বিপরীত হয়। শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়তে মা-বাবার সহযোগিতা খুব জরুরি।

জীবনযাত্রাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে জানানো হয়েছে যে কারণগুলোতে শিশুর আত্মবিশ্বাস কমে যায়, সেগুলোর কথা।

  • ভুলের কারণে শিশুকে বেশি বকাঝকা করা

শিশু ভুল করবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে এই ভুলের জন্য তার সঙ্গে বেশি জোরে চিৎকার-চেঁচামেচি করা, বিশেষ করে অন্য লোকের সামনে, এটি কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। এ বিষয়টি শিশুর আত্মবিশ্বাসকে কমিয়ে দেয়।

আপনি যদি ভাবেন, আসলেই তার ভুলটি শুধরে দিতে চান, তবে কাছে নিয়ে বোঝান। নরম সুরে তার সঙ্গে কথা বলে ভুলটি ধরিয়ে দিন।

  • তুলনা

শিশুকে কখনো অন্য শিশু বা অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করবেন না। প্রতিটি শিশুই কিন্তু তার মতো করে বিশেষ। তাকে অন্য কারো মতো হতে বলবেন না। সে তার মতো হবে, এটাই শেখান। তুলনা করলে শিশুর আত্মবিশ্বাস কমে যায়।

  •  অতিরিক্ত যত্ন

শিশুর যত্নের অবহেলা যেমন ঠিক নয়, তেমনি আবার সব বিষয়েই শিশুকে অতিরিক্ত সাহায্য করাও ঠিক নয়। এটিও আত্মবিশ্বাস গঠনে প্রভাব ফেলে। এতে সে একা কোনো কাজ করতে ভয় পাবে। আত্মবিশ্বাস কমে যাবে।

  • অপমান করা

কারণ যা-ই হোক না, অন্য লোকের সামনে শিশুকে অপমান করবেন না। এতে তার মন ছোট হয়ে যাবে এবং সে অন্তর্মুখী হয়ে পড়বে। সবার সামনে তাকে সক্রিয় থাকতে দিন। এতে তার আত্মসম্মানবোধ ও আত্মবিশ্বাসবোধ বাড়বে।

  • উৎসাহ না দেওয়া

শিশু কোনো ভালো কাজ করলে তাকে উৎসাহ দেওয়া, সমাদর করা কিন্তু জরুরি। এতে সে আরো উৎসাহিত হয়ে ভালো কাজ বেশি বেশি করতে চাইবে। উৎসাহ না দিলে শিশুর মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব ঘটে।

  •  অতিরিক্ত নিয়মানুবর্তিতা

জীবনে বড় হওয়ার জন্য নিয়মানুবর্তিতা যেমন প্রয়োজন, তেমনি কোনো কিছুর বাড়াবাড়িই কিন্তু ঠিক নয়। অতিরিক্ত নিয়মানুর্বিতা শিশুর মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই শিশুকে নিয়মানুবর্তী হতে শেখান, তবে সেটি যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয়ে যায়।

পদত্যাগ করবেন জিদান!

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »