বিজনেস২৪বিডি ডেস্ক »

শীতে অনেক শিশুই আক্রান্ত হয় শীতকালীন ডায়রিয়ায়। এ সময় জীবাণু সংক্রমিত বাতাসের মাধ্যমেই ডায়রিয়া বেশি হয়। এ জন্য এ সময়ে শিশুর প্রতি যত্ন নিতে হয়। সচেতনতার অভাবে অনেক সময় অভিভাবকরা সঠিক পরিচর্যা করতে পারেন না শিশুর। এর ফলে অনেক শিশুই বেশ ভুক্তভোগী হয়। শীতকালীন ডায়রিয়া প্রতিরোধে কিছু করণীয় আছে সেটি বলার আগে চলুন জেনে নিই এর লক্ষণ কী।

লক্ষণ
এ সময়ের ডায়রিয়া সাধারণত জ্বর দিয়ে শুরু হয়। সাথে সর্দি বা বমি থাকতে পারে। প্রতিদিন ৮-১০ বার সবুজাভ হলুদ রঙের পায়খানা হতে পারে।

চিকিৎসা
অন্য যেকোনো সময়ের ডায়রিয়ার মতো শীতেও ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুকে পানিশূন্যতা রোধ করার জন্য প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর খাওয়ার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। অনেকে সোডিয়ামের পরিমাণ ঠিক রাখার জন্য ওরস্যালাইনের পরিবর্তে চালের স্যালাইন খাওয়ানোর পরামর্শ দেন।

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক নয়
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো শিশুকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া উচিত নয়। যে শিশু বুকের দুধ খাচ্ছে স্যালাইনের পাশাপাশি তা চালিয়ে যেতে হবে। যদি শিশুর চোখ ভেতরের দিকে ঢুকে যায়, অত্যধিক বমি হয়, জ্বরের তীব্রতা বাড়তে থাকে, শরীরের চামড়া ঢিলে হয়ে যায়, অবসন্ন হয়ে পড়ে এবং পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায় তবে শিশুকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

হাসপাতালে পানিশূন্যতার ধরন অনুযায়ী শিশুর দেহের স্যালাইন দেওয়ার সিদ্ধান্ত চিকিৎসক নিয়ে থাকেন। তবে অযথা শিরায় স্যালাইন প্রয়োগ করার প্রয়োজন নেই। মল পরীক্ষায় ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব ধরা পড়লে অ্যান্টিবায়োটিকও দিতে পারেন চিকিৎসক।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »