পেনড্রাইভের মধ্যেই উইন্ডোজ চালানোর ম্যাজিক টিপস
শিরোনাম দেখেই বুঝতে পারছেন, কীভাবে উইন্ডোজের পোর্টেবল ভার্সন তৈরী করা যায় তা এই আর্টিকেলে জানতে পারবেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো আপনার উইন্ডোজের একটি পোর্টেবল ভার্সন তৈরী করার দরকার আছে কি?
আপনি যদি সাংবাদিকতা বা মার্কেটিং রিলেটেড প্রফেশনে থেকে থাকেন তাহলে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে ভ্রমণ কিংবা দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। বাসায় কিংবা অফিসে বসে যে ল্যাপটপ বা পিসিতে আপনি কাজ করেন সেটা হয়তো প্রায়শই ভ্রমণে সাথে নিয়ে যাওয়া হয় না। অনেকসময় কাজের জায়গাতে অন্যের পিসি বা ল্যাপটপ ব্যবহার করতে হতে পারে, কিন্তু সেখানে নিজের দরকারি অ্যাপ কিংবা সেটিংস গুলো হয়ত কনফিগার করা থাকে না। এসব ঝামেলা থেকেই মুক্তি দিবে উইন্ডোজের পোর্টেবল ভার্সন।
এটা আপনার পেনড্রাইভে ইন্সটল করে নিলে সেই পেনড্রাইভে আপনার নিজের মতো সেট করা উইন্ডোজ, প্রয়োজনীয় অ্যাপস, সবকিছুই থাকবে। দরকার মতো পকেট থেকে বের করে যে কারো পিসি বা ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে লাগিয়ে নিলেই হয়ে গেলো। ঐ পিসি বা ল্যাপটপে আপনার ব্যক্তিগত পিসির সব অ্যাপস, সেটিংস সহ নিজের উইন্ডোজের স্বাদ পাবেন। এজন্য শুধু আপনাকে ওই পেনড্রাইভ থেকে বুট করতে হবে।
যেভাবে বানাবেন উইন্ডোজের পোর্টেবল ভার্সন
উইন্ডোজের পোর্টেবল ভার্সন তৈরী করার অসংখ্য পদ্ধতি আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ দুটি পদ্ধতি এখানে দেয়া হলো। একটি পদ্ধতির জন্য Rufus এবং অন্যটির জন্য WinToUSB প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হবে।
যা যা লাগবে
Rufus অথবা WinToUSB সফটওয়্যার
অন্তত ৩২ জিবির একটি দ্রুতগতির ইউএসবি ৩.০ পেনড্রাইভ। রিড-রাইট স্পিড ও স্টোরেজ যত বেশি হবে ততই ভালো। ইউএসবি ২.০ ব্যবহারের চিন্তা না করাই ভালো।
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর কাঙ্ক্ষিত ভার্সনের আইএসও ফাইল
উইন্ডোজের একটি ভ্যালিড লাইসেন্স (থাকলে ভালো, না থাকলে ট্রায়াল চালাতে হবে)।
উইন্ডোজের পোর্টেবল ভার্সন তৈরীর পদ্ধতি
Rufus দিয়ে ইউএসবি ড্রাইভে উইন্ডোজ ইন্সটল করা
প্রথমেই এই সাইট থেকে Rufus ডাউনলোড করে নিন। এটা পোর্টেবল অ্যাপ হওয়াতে ইন্সটল করার প্রয়োজন নেই।
সুত্রঃ বাংলাটেক২৪
