ইরান পুনর্গঠনে ৩০ হাজার কোটি ডলারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চলমান সমঝোতা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেশটির জন্য ৩০০ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি বিশাল বিনিয়োগ তহবিল গঠনের অনুমতি দিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই সুবিধা পেতে হলে তেহরানকে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি ও পরমাণু কর্মসূচি- সংক্রান্ত সমঝোতার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা ও দেশটির পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় তহবিল তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এসব সুবিধা নির্ভর করবে ইরান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্ত কতটা মেনে চলে তার ওপর।
সুইজারল্যান্ডে শুক্রবার (১৯ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার কথা থাকা এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় প্রথমে যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিন বাড়ানো হবে। এরপর হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু ও চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলটি কোনো সরকার সরাসরি দেবে না। বরং ইরানে বিনিয়োগে আগ্রহী আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর অর্থ দিয়ে এটি গঠন করা হতে পারে।
সূত্রটির ভাষ্য অনুযায়ী, ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ইরানে বিনিয়োগে আগ্রহী। এমনকি, মার্কিন কোম্পানিগুলোর মধ্যেও আগ্রহ রয়েছে।
তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলে এই তহবিলের আকার বিশাল হবে। ইরানের ৯ কোটি মানুষের বাজার ও বিপুল জ্বালানি সম্পদ বিনিয়োগকারীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে তহবিলটির কাঠামো ও পরিচালনা পদ্ধতি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
