বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয় বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে
শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়! বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। তাদের বিপক্ষে কখনও দ্বিপাক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেনি বাংলাদেশ, প্রথমবার দেখা। আর
ক্রীড়া (ইংরেজি: Sport) হচ্ছে একটি সংগঠিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিনোদনধর্মী এবং দক্ষতাসূচক শারীরিক কার্যকলাপ প্রদর্শনের উত্তম ক্ষেত্র। শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তা, কলা-কৌশল এবং সুস্থ ক্রীড়া প্রদর্শন করে একজন বিজয়ী তার অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর নিদর্শন রাখতে পারেন। এটি পরিচালিত হয় একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন বা নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যম।
খেলার প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শারীরিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও মর্যাদা যাতে বিজয়ী এবং বিজিত পক্ষ নির্ধারিত হয়। শারীরিক সক্ষমতা হিসেবে মানুষ, প্রাণীসহ বল, যন্ত্র ইত্যাদি সরঞ্জামাদি জড়িত। এছাড়াও মনঃস্তাত্তিক খেলাধুলা হিসেবে কার্ড গেম এবং বোর্ড গেম রয়েছে। এগুলোর কিছু আবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত।
শারীরিক ইভেন্টগুলো যেমন গোল করা কিংবা নির্দিষ্ট রেখা অতিক্রম করলে খেলায় ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও, ডাইভিং, ফিগার স্কেটিংয়ে খুব ভাল করার দক্ষতা যাচাই ও প্রদর্শন করা অন্যতম বিচার্য বিষয়। ব্যতিক্রম হিসেবে বডি বিল্ডিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোয় দক্ষতা প্রদশর্নকে গণ্য করা হয় না।
প্রতিটি খেলার ফলাফলই রেকর্ড হিসেবে রাখা হয় এবং সর্বদাই অধিকাংশ খেলাগুলোতে সর্বোচ্চ পর্যায়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার মাধ্যমে খেলাধূলার সংবাদে প্রচার করা হয়। বেশীরভাগ খেলাধূলাই শুধুমাত্র নিছক আনন্দ, মজা অথবা মানুষের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শারীরিক সক্ষমতার লক্ষ্যে ব্যয়ামের জন্য করা হয়। অধিকন্তু, পেশাদারী খেলাধূলা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যমও বটে।
খেলাধূলা চর্চার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সুন্দর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলোয়ারসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আচরণগুলোর মধ্যে – ব্যক্তিগত আচরণ পরিবর্তনসহ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, বিচারক(বৃন্দ)কে ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং হেরে গেলে বিজয়ীকে অভিনন্দন প্রদান করা অন্যতম।
শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়! বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। তাদের বিপক্ষে কখনও দ্বিপাক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেনি বাংলাদেশ, প্রথমবার দেখা। আর
ওস্মান খানের তান্ডবে টি-২০ তে রেকর্ড ৫১৬ রান বিতারিত আসছে………………
দলে বিশ্বকাপের সেরা দুই ফুটবলার। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দুই গোলদাতা। বিশ্বকাপ ফাইনালে একজনের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি, অন্যজনের হাতে উঠেছিলো রানারআপের পুরস্কার।
পিএসএলে ৪৮৩ রানের ম্যাচে কোয়েটার জয়। সেঞ্চুরি করেছেন বাবর আজম এবং জেসন রয়। বিস্তারিত…………………………
এক ইনজুরিই সারা জীবনে সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে এসেছে নেইমারের ক্যারিয়ারে। প্রতি মৌসুমেই এই ইনজুরির কবলে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো মিস
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম থেকে মালামাল ও জনবল প্রত্যাহারসহ ভেন্যু বাতিলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম।
সিরিজ হাতছাড়া হয়ে গেছে। শেষ ওয়ানডেটি ছিল কেবল নিয়মরক্ষার, বাংলাদেশের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশন। সেই মিশনে সফল বাংলাদেশ। সিরিজ হারালেও
গত সপ্তাহেই নিউক্যাসলকে হারিয়ে কারাবাও কাপ জিতে নিয়েছিলো ম্যানইউ। লিগেও খুব বেশি খারাপ অবস্থায় নেই। এরিক টেন হাগের অধীনে কী
গত বেশ কয়েকবারের তুলনায় এবার চিত্রটা একটু ভিন্ন। ঘরের মাঠে সিরিজ জয়টাকে, বিশেষ করে ওয়ানডেতে, বাংলাদেশ নিয়মে পরিণত করে ফেলেছে।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল এবং ম্যানসিটি শিরোপা লড়াই বেশ ভালোভাবেই জমে উঠেছে। আজ নিউক্যাসলের মুখোমুখি হয়েছে ম্যানসিটি। নিজেদের মাঠে ম্যানসিটি
তামিম ইকবাল এবং নাজমুল হোসেন শান্তরা যেভাবে ব্যাটিং শুরু করেছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের স্কোর নিশ্চিত ২৫০ পার হয়ে যাবে।
বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো লিওনেল মেসির কাছে আরও একবার হেরে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। ফিফা দ্য বেস্ট গালা নাইট অনুষ্ঠানের আগেরদিনই জোড়া
১১ ব্যাটার মিলে করলেন ১০ রান। ভাবা যায়! না, কোনো পাড়া-মহল্লার খেলা নয়। এমন ঘটনা ঘটেছে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। টি-টোয়েন্টি
অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া করলেন দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক। নঁতের বিপক্ষে ৩-০ গোলের সহজ জয়ই পেলো জুভেন্টাস। বৃহস্পতিবার রাতে এই জয়ে ইউরোপা
আনুষ্ঠানিক ইতি টানা হয়ে গেল জানুয়ারির দলবদলের। তবে, অন্যবারের চেয়ে এবারের দলবদল ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ছিল অনেক বেশি শ্বাসরুদ্ধকর – রোমাঞ্চকর
শুরুতেই রিয়াল মাদ্রিদ পিছিয়ে পড়েছিলো ২-০ গোলে। এমিরেটস স্টেডিয়ামে তখন উল্লাসের ঝড়। এইবার বুঝি রিয়ালের বিপক্ষে প্রতিশোধটা নেয়া হবে! মাত্র
দ্বিতীয়বার দেখার মতো দৃশ্য নয়। যেভাবে বাঁকা হয়ে গেলো গোড়ালি, ভালো করে লক্ষ্য করলে যে কারো গা শিউরে উঠবে। পিএসজি