আইসিএমএবি’র কর্মশালা

স্টাফ রিপোর্ট

কস্ট অডিট বিষয়ে এক বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করেছে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। (৪ জানুয়ারি ২০২১) ইনস্টিটিউটের রুহুল কুদ্দুস অডিটোরিয়ামে এর উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের (সাফা) প্রেসিডেন্ট এবং আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট এ কে এম দেলোয়ার হোসেন এফসিএমএ এবং ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইন্ডিয়ার (আইসিএআই) প্রেসিডেন্ট সিএমএ বিশ^রুপ বসু।
প্রধান অতিথি ড. জাফর উদ্দিন বলেন, কস্ট অ্যাকাউন্টিং পেশার উন্নয়নের বিষয়ে সরকার যথেষ্ট মনোযোগী। এই পেশার উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি সাধন করা সম্ভব।

অর্থনীতির উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা আনয়নে কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন অর্থনীতিতে স্বয়ং সম্পন্ন হয়ে উঠছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপের জন্য আমাদের অর্থনীতি আরও দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে আমাদের অর্থনীতি আরও বিভিন্ন পরিসর এবং পণ্যের মাধ্যমে বিশাল হয়ে উঠবে এবং তখন কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের ভূমিকা এবং কাজ আরও বিশাল ব্যাপ্তির হবে। চলতি বছরেই বাংলাদেশ আরও ১১টি দেশের সাথে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টের চুক্তি সম্পন্ন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইন্ডিয়াকে কস্ট অ্যাকাউন্টিং পেশার উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের পাশে থাকার কারণে ধন্যবাদ জানান এবং এই কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।

বিশেষ অতিথি এ কে এম দেলোয়ার হোসেন এফসিএমএ বলেন, কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টগণ তাদের পেশাদার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অর্থনীতির বিভিন্ন পরিসরে অনেক অবদান রাখতে সক্ষম। তিনি প্রধান অতিথিকে কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের জন্য আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি প্রতিটি লিমিটেড কোম্পানিতে কস্ট অডিটিং প্রয়োগের বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য জোর দেন।

আইসিএমএবি প্রেসিডেন্ট মোঃ জসিম উদ্দিন আকন্দ এফসিএমএ তাঁর বক্তব্যে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং পেশা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে তিনি সরকারি নির্দেশনা অনুসারে সকল লিমিটেড কোম্পানিতে কস্ট অডিট বাধ্যতা মূলক করার বিষয়টি যথোপযুক্ত ভাবে প্রয়োগ করার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রধান অতিথির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সিএমএ পেশাদার গণের জন্য কাজের সুযোগ আরও বিস্তৃত করার, যাতে করে তারা জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন, এ জন্য তিনি বাণিজ্য সচিবের কাছে যথাযথ সহায়তার আবেদন জানান। সেই সাথে তিনি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইন্ডিয়াকে (আইসিএআই) এই কর্মশালায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান।

কাউন্সিল সদস্য ও আইসিএমএবি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট, বর্তমানে কস্ট অডিট অ্যান্ড প্রফেশনাল কনসালটেন্সি সেল কমিটির চেয়ারম্যান এএসএম শায়খুল ইসলাম এফসিএমএ সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অর্থনীতির সংশ্লিষ্ট সকল খাতে কস্ট অডিটিংয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে উল্লেখ করেন। আইসিএমএবি ট্রেজারার মোঃ আলী হায়দার চৌধুরী এফসিএমএ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং বক্তা ও আলোচ্য বিষয় নিয়ে নিজের মতামত উপস্থাপন করেন। আইসিএমএবি ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুবকর সিদ্দিক এফসিএমএ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতিধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

One thought on “আইসিএমএবি’র কর্মশালা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *