স্টাফ রিপোর্টার »

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের পর অদূর ভবিষ্যতে যে রোলেবল স্মার্টফোনের যুগ শুরু হতে যাচ্ছে, এবার তারই নমুনা দেখাল অপো। স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিটি মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) চীনের শেংঝেনে আয়োজন করে নিজেদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শনের বার্ষিক অনুষ্ঠান ‘অপো ইনো ডে ২০২০।’

এ অনুষ্ঠানে ৩টি নতুন কনসেপ্ট প্রোডাক্ট দেখিয়েছে অপো। যার মধ্যে রয়েছে রোলেবল ডিসপ্লে সুবিধার অপো এক্স ২০২১ স্মার্টফোন, অগমেন্টেড রিয়েলিটির (এআর) নতুন গ্লাস এবং সাইবরিয়েল এআর অ্যাপ।

অপো এক্স ২০২১ স্মার্টফোন: অপো এক্স ২০২১ মডেলের কনসেপ্ট ফোনটি রোলেবল ডিসপ্লের প্রযুক্তির স্মার্টফোন। এ ফোনের ডিসপ্লে গুটিয়ে ছোট করে নেয়া যাবে এবং প্রয়োজনে ফের তা বড় করা যাবে। এ ফোনের স্ক্রিন সাইজ ৬.৭ ইঞ্চি, কিন্তু তা টেনে ৭.৪ ইঞ্চি বড় করা যায়। ফ্লেক্সিবল ডিসপ্লে এবং স্ট্রাকচারাল স্ট্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে অপোর গবেষণা ও উন্নয়নের সর্বশেষ অর্জন এই ফোন, যা ব্যবহারকারীদের আরো ন্যাচারাল ইন্টারেক্টিভ অভিজ্ঞতা দেবে। কনসেপ্ট হ্যান্ডসেটটিতে অপোর তিনটি প্রোপ্রাইটারি টেকনোলজি রয়েছে। এগুলো হলো: রোল মোটর পাওয়ারট্রেন, ২-ইন-১ প্লেট এবং সেলফ ডেভেলপড ওয়ার্প ট্র্যাক হাই-স্ট্রেংথ স্ক্রিন ল্যামিনেট। এসব প্রযুক্তি ফোনটির ব্যবহারকারীকে প্রয়োজন অনুযায়ী ৬.৭ ইঞ্চি বা ৭.৪ ইঞ্চি স্ক্রিন সুবিধা দেবে।

অপো এআর গ্লাস ২০২১: অপোর নতুন স্প্লিট ডিজাইনের এই অগমেন্টেড রিয়েলিটির (এআর) গ্লাস কমপ্যাক্ট ও আল্ট্রা-লাইট। এ ডিভাইসটি এর আগের মডেলের তুলনায় ৭৫ শতাংশ হালকা। এআর গ্লাস ২০২১ তৈরিতে বার্ডবাথ অপটিক্যাল সল্যুশন মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেবে। পাশাপাশি এতে ডাইভার্স সেন্সর রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে স্টেরিও ফিশআই ক্যামেরা, ওয়ান টিওএফ সেন্সর এবং একটি আরজিবি ক্যামেরা। এসব ফিচার কেবল ন্যাচারাল ইন্টারেকশনকেই (স্মার্টফোনের মাধ্যমে ইন্টারেকশন, জেসচার বেজড ইন্টারেকশন ও স্পেশাল লোকালাইজেশন) সমর্থন করবে না, বরং এর পাশাপাশি মিলি সেকেন্ডের মধ্যে থ্রিডি স্পেশাল লোকালাইজেশন ক্যালকুলেশন, নির্দিষ্ট লোকালাইজেশন অর্জন ও ধারাবাহিক আপডেট ও ফিডব্যাকের মাধ্যমে অগমেন্টেড রিয়েলিটির (এআর) জগতে স্পেশাল ইন্টারেকশনে ব্যবহারকারীকে ন্যাচারাল অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।

সাইবরিয়েল এআর অ্যাপ: রিয়েল টাইম, স্পেশাল ক্যালকুলেশন টেকনোলজি ভিত্তিক সাইবরিয়েল এআর অ্যাপ হাই-প্রিসিশন লোকালাইজেশন ও সিন রেকগনিশনে সক্ষম। এটি অপোর তিনটি মূল প্রযুক্তি সমর্থন করে। এগুলো হলো: অ্যাকুরেটলি রিকনস্ট্রাকটিং দ্য ওয়ার্ল্ড টু দ্য সেন্টিমিটার, রিয়েল টাইম হাই-প্রিসিশন লোকালাইজেশন ও অপো ক্লাউড। যা ব্যবহারকারীদের প্রকৃত বিশ্বকে বুঝতে সহায়তা করবে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »