স্টাফ রিপোর্টার »

ফিলিপাইনের নর্দার্ন সামার প্রদেশে অবৈধ মোরগ লড়াই বন্ধে অভিযান পরিচালনার সময় মোরগের পায়ে বাঁধা ধারাল অস্ত্রের আঘাতে পুলিশের এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ফিলিপাইনে ব্যাপক জনপ্রিয় মোরগ লড়াই বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির সরকার। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নর্দার্ন সামারে মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন করা হলে পুলিশের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ক্রিস্টিন বোলোক সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন।

ফিলিপাইনে জনপ্রিয় এই লড়াইয়ে মোরগের পায়ে স্টিলের ধারাল এবং তীক্ষ্ণ ব্লেড বেঁধে দেয়া হয়। দুর্ঘটনাবশত লড়াইরত একটি মোরগ ক্রিস্টিনের বাম উরু ও ধমনীতে আঘাত করে। পরে সেখান থেকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা দ্য ফিলিপাইন নিউজ অ্যাজেন্সি (পিএনএ) বলছে, মহামারির আগে ফিলিপাইনে শুধুমাত্র প্রতি রোববার এবং সরকারি ছুটির দিনের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেগুলো তিনদিন ধরে চলে; সেখানে এই মোরগ লড়াইয়ের অনুমতি ছিল।

নর্দার্ন সামার প্রদেশের পুলিশের প্রধান কর্নেল আর্নেল অপুদ ফরাসী বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, দুর্ঘটনাটি দুর্ভাগ্যবশত ঘটেছে। এটি দুর্ভাগ্যজনক। আমি এর ব্যাখ্যা করতে পারি না।

তিনি বলেন, এটি প্রথমে যখন আমি জানতে পারি; তখন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ২৫ বছরের চাকরিকালীন মোরগ লড়াইয়ের কারণে প্রথমবারের মতো একজনকে হারালাম।

পিএনএ বলছে, পুলিশের প্রাদেশিক এই প্রধান নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারের প্রতি ‘গভীর সহানুভূতি’ জানিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দু’টি দলের অন্তত তিনজন সদস্য ও সাতটি মোরগ ও ৫৫০ ফিলিপিনো পেসো জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। এছাড়া আরও তিনজনকে খুঁজছে পুলিশ।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »