যে আমলে মিলবে জাহান্নাম ও মুনাফেকি থেকে মুক্তি

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রিয় উম্মতকে জাহান্নাম ও মুনাফেকি থেকে বেঁচে থাকার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সুন্দর একটি আমলের কথা বলেছেন। যে আমলটি করলেই মানুষ জাহান্নাম থেকে যেমন মুক্তি পাবে তেমনি মুনাফেকি করা থেকেও নিরাপদ থাকবে। কী সেই আমলটি।

আমলটি মুমিন মুসলমানের জন্য সহজ। বিরতি না দিয়ে ধারাবাহিকভাবে ৪০ দিন তাকবিরে উলারসহ জামাতে নামাজ পড়া। যারা আমলটি করবেন মহান আল্লাহ ওই বান্দাদের জাহান্নাম থেকে যেমন মুক্তি দেবেন তেমনি মুনাফেকির মতো মারাত্মক গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন। হাদিসে পাকে বিষয় এভাবে এসেছে-

হজরত আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ধারাবাহিকভাবে (বিরতি না দিযে) টানা চল্লিশ দিন তাকবিরে উলার (প্রথম তাকবিরের) সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারলে তাকে দুটি নাজাতের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তাহলো-

১. জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং

২. মুনাফেকি থেকে মুক্তি।’ (তিরমিজি, তালিকুর রাগিব)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, অতিরিক্ত কোনো ইবাদত নয়; বরং শুধু ফরজ নামাজ তাকবিরে উলা বা প্রথম তাকবিরে সঙ্গে জামাতে পড়া। আর এ একটি আমলেই মুমিন বান্দাকে জাহান্নাম ও মুনাফেকির অভ্যাস থেকে মুক্তি দেবেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাবিরে উলাসহ জামাতে ধারাবাহিকভাবে (বিরতি না দিয়ে) ৪০ দিন নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। জাহান্নাম ও মুনাফেকি থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.