নেইমারের লাল কার্ড

ঘটনাবহুল এক ম্যাচে জয় পেল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। রোববার রাতে লিগ ওয়ানের টেবিল টপাররা রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েও বোর্দোর বিপক্ষে ৪-৩ গোলের জয় পেয়েছে। তবে এমন এক ম্যাচে শেষ মুহূর্তে নেইমারের লাল কার্ড অস্বস্তিই বাড়িয়েছে টমাস টুখেলের দলের।

ঘরের মাঠে গোলবন্যার ম্যাচে পিএসজিকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলে দিয়েছিল টেবিলের ১২ নম্বর দল বোর্দো। শেষ পর্যন্ত সেই পরীক্ষায় উৎড়ে গেছেন নেইমার-কাভানিরা।

গত সপ্তাহে পিএসজি এমনই এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৪-৪ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল আমিয়াঁর বিপক্ষে। এরপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠে হারে ২-১ গোলে।

রোববারের ম্যাচে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে পিএসজি। ১৮ মিনিটে বোর্দোর হয়ে গোল করেন হোয়াং ও জি। তবে সেই গোল শোধ করতে সময় নেয়নি টেবিল টপাররা। ২৫ মিনিটে গোল করেন এডিনসন কাভানি, গড়েন নতুন মাইলফলক। এটি ছিল পিএসজির পক্ষে উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ডের ২০০তম গোল।

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে পিএসজিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মার্কুইনহস। কিন্তু অতিরিক্ত সময়েই সেই গোল শোধ করে দেন পাবলো। ২-২ সমতায় ফেরে বোর্দো।

দ্বিতীয়ার্ধে ৬৩ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মাকুইনহস আবারও এগিয়ে দেন পিএসজিকে। ছয় মিনিট পর (৬৯ মিনিটে) আরও এক গোল কিলিয়ান এমবাপের পা থেকে। ৪-২ গোলে ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।

৮৩ মিনিটে রোবেন পার্দোর গোলে আবারও ম্যাচে ফেরার আশা জেগেছিল বোর্দোর। শেষ কয়েক মিনিট চরম উত্তেজনায় কেটেছে দুই দলের। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে মরিয়া দুই দলের খেলোয়াড়রাই ফাউল করেছেন।

তবে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে একটু বেশিই করে ফেলেছিলেন নেইমার। বোর্দোর এক খেলোয়াড়কে আটকাতে গিয়ে আড়াআড়িভাবে শরীর ধরে দেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। দৌড়ে এসে তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করেন রেফারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.