ডিসিসিআই সভাপতির সাথে তুরষ্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

স্টাফ রিপোর্ট

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান’র সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরষ্কের রাষ্ট্রদূত মান্যবর মোস্তাফা ওসমান তুরান বলেন, বাংলাদেশের পাটখাতে বিনিয়োগ  অত্যন্ত সম্ভাবনাময়;(২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ঢাকা চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উক্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন, এফসিএস, এফসিএ, সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন এবং তুরষ্কের দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর কেনান কালায়চি উপস্থিত ছিলেন।

ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ তুরষ্কের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, যেখানে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দুদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬৮৬.৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, তবে সামানের দিনগুলোতে তা বাড়ানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব করেন। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উন্নয়নে দুদেশের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে বাণিজ্য বিষয়ক সংলাপ আয়োজনের উপর জোরারোপ করেন ডিসিসিআই সভাপতি। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি করোনা মহামারী বিবেচনায় বাংলাদেশ হতে সূতা রপ্তানিতে তুরষ্ক আরোপিত এন্টি ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনায় আনার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে তুরষ্কের রাষ্ট্রদূত মান্যবর মোস্তাফা ওসমান তুরান বলেন, তাঁর দেশের কার্পেট প্রস্তুতে বাংলাদেশে উৎপাদিত পাট অন্যতম কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং বাংলাদেশে উৎপাদিত পাটের গুণগতমান উন্নত হওয়ায় তুরষ্কের উদ্যোক্তারা অধিক হারে পাট আমদানিতে আগ্রহী। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২০ সালে তুরষ্ক বাংলাদেশ হতে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পাট আমদানি করে, যা দুদেশের মোট রপ্তানির প্রায় অর্ধেক। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষিখাতের যন্ত্রপাতি, তথ্যপ্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ, জ¦ালানী এবং ফার্মাসিউটিক্যাল অত্যন্ত সম্ভাবনময়,যেখানে তুরষ্কের উদ্যোক্তারা বেশি হারে বিনিয়োগ করতে পারে। তিনি দুদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে ব্রান্ডিং কার্যক্রম বাড়ানো এবং চেম্বার সমূহের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ়করণের উপর জোরারোপ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *