কোরিয়ান রাষ্ট্রদূতের সাথে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক : বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির প্রস্তাব বাণিজ্যমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি বলেছেন, কোরিয়া বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীক অংশীদার। কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশ বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশে তৈরি পোশাক, ইলেক্ট্রনিক এবং অন্যান্য সেক্টরে কোরিয়ার বিনিয়োগ রয়েছে, বেশকিছু কোম্পানি কাজ করছে। এ বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পৈাশাক কোরিয়ায় রপ্তানি হচ্ছে, রপ্তানি বৃদ্ধির আরো অনেক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ কোরিয়ায় রপ্তানি বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।

বাণিজ্যমন্ত্রী রোববার (১৩ মার্চ, ২০২১) ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং কিউন-এর সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি থাকা প্রয়োজন। এতে করে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। এজন্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করা যেতে পারে। বাংলাদেশ কোরিয়ার সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।

কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং কিউন বলেন, বিগত দশ বছরে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। বাংলাদেশের সাথে কোরিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। কোরিয়ার বেশ কিছু কোম্পানি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ইলেক্ট্রোনিক পণ্যসহ বেশকিছু সেক্টরে কাজ করছে। কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ সফলভাবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। কোরিয়া বাংলাদেশে গাড়ি তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিশ্বব্যাপী কোরিয়া বাণিজ্য বৃদ্ধি করছে। কোরিয়া ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।

উল্লেখ্য, গত ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৩৯৮.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য কোরিয়ায় রপ্তানি করেছে, একই সময়ে আমদানি করেছে ১,১২৬.৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) নূর মো. মাহবুবুল হক এবং বাংলাদেশস্থ কোরিয়ান দূতাবাসের ফাষ্ট সেক্রেটারি ইয়াংমিন সিও উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.