এবার মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে কম্পিউটার সংযোগ

পৃথিবী এখন আর আগের সেই পৃথিবীতে নেই। প্রতি মুহূর্তে পৃথিবী ছাড়িয়ে যাচ্ছে নিজেকে। ১ মিনিট আগের পৃথিবী আর ১ মিনিট পরের পৃথিবীর মধ্যে বিস্তর ফারাক। আমাদের বাসগৃহ এই পৃথিবীতে চলছে আবিষ্কার ও কর্মচাঞ্চল্যের এক মহোত্সব। ছেলে বড়ো হবে, চাকরি করে টাকা কামাবে—এই প্রথাগত ধারণা এখন বদলেছে।

প্রথাগত ধারণার বাইরে এসে জাকারবার্গ, স্টিভ জবস, সের্গেই ব্রিন এবং এলন মাস্কসহ অনেকের মতো বিজ্ঞানের মানুষজন তাঁদের চমক লাগানো সব আইডিয়া দিয়ে পৃথিবীর পুরো স্ট্রাকচারই পরিবর্তন করে দিচ্ছে। এলন মাস্ক সেই ধারারই একজন মানুষ। পৃথিবীর ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি ক্ষমতা শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের হাতে থাকলেও নতুন দিনের এই পার্শ্ব-নায়কেরাই হয়ে উঠছেন আগামী পৃথিবীর প্রচ্ছদচিত্র। তাদের হাত ধরেই প্রযুক্তিগত উত্কর্ষতা পাচ্ছে নতুন মাত্রা। জীবন ধারণে, জীবন যাপনে আসছে বৈচিত্র্যের ছোঁয়া।

টেসলার প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও এলন মাস্কের স্টার্টআপ সংস্থা নিউরালিঙ্ক এবার তৈরি করছে হাই-ব্যান্ডউইথের ব্রেন মেশিন ইন্টারফেসেস। যা হয়তো এতদিন কোনো সায়েন্স ফিকশন ছবিতেই শুধু দেখা গিয়েছিল। এর মাধ্যমে মানুষের মস্তিষ্ক এবং কম্পিউটরকে যোগ করা সম্ভব হবে। এলন মাস্কের এই সংস্থার প্রচার খুব একটা কখনোই হয়নি।

আগামী ১৬ জুলাই সান ফ্র্যানসিসকোতে একটা ইভেন্টে এ ব্যাপারে কতদূর অগ্রসর সম্ভব হয়েছে, তা সংস্থার তরফে জানানো হবে। নিউরালিঙ্ক-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমাদের আগামী মঙ্গলবার স্যান ফ্র্যানসিসকোতে একটি অনুষ্ঠান রয়েছে। যেখানে এর সম্পর্কে জানানো হবে যে গত দুই বছরে এই কাজে কতদূর এগোনো সম্ভব হয়েছে। অনলাইনেও এই অনুষ্ঠানের কিছু আসন রিজার্ভের জন্য রাখা হয়েছে।

একটি মেডিক্যাল রিসার্চ সংস্থা হিসেবেই ২০১৬তে আত্মপ্রকাশ হয়েছিল নিউরালিঙ্কের। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক হাই-প্রোফাইল নিউরোসায়েনটিস্টকেই এই সংস্থায় নিয়োগ করা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.