একশপ-ধামাকা অনলাইন শপিংয়ের যৌথ কার্যক্রম শুরু

স্টাফ রিপোর্ট

সহজে ও দ্রুত সময়ের মধ‌্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এটুআইয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশের প্রথম রুরাল এসিস্টেড ই-কমার্স প্লাটফর্ম ‘একশপ’ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের দ্রুত বর্ধনশীল ই-কমার্স ধামাকা অনলাইন শপিং।

এখন থেকে ধামাকার প্লাটফর্মে একশপের সকল উদ্যোক্তাদের পণ্য পাওয়া যাবে একই সঙ্গে একশপের দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা এজেন্টরা ধামাকা শপিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে কেনাকাটা করতে পারবেন।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে এ বিষয়ে সমঝোতা চুক্তিস্বাক্ষরের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেনে ধামাকা অনলাইন শপিংয়ের চিফ বিজনেস অফিসার দিবাকর দে শুভ এবং একশপ-এর টিম লিডার মো. রেজওয়ানুল হক জামি।

এ সময় এটুআইয়ের ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট শাহরিয়ার হাসান জিসান, প্রোগাম অ্যাসিসটেন্ট শায়েলা কাদের, ধামাকা শপিংয়ের ডিরেক্টর (অপারেশন) সাফওয়ান আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (কমার্শিয়াল) ইব্রাহিম স্বপন, সিনিয়র ম্যানেজার (কর্পোরেট) কে এম ফেরদৌস ইলিয়াস এবং বিজনেস কো-অর্ডিনেটর সৌরভ সাহা উপস্থিত ছিলেন।

ইনভ্যারিয়েন্ট টেলিকমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. জসিম উদ্দিন চিশতি বলেন, ‘জনগণের দোড়গোড়ায় ই-কমার্স সেবা পৌঁছে দিতে এবং নতুন উদ্যোক্তা উৎসাহিত করাই একশপের এবং ধামাকা অনলাইন শপিংয়ের মূল উদ্দেশ্য। নতুন উদ্যোক্তা এবং গ্রাহকদের ই-কমার্সের ওপর আস্থা বাড়ানোর জন্য দেশব্যাপী ধামাকা শপিং বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের একমাত্র ডেডিকেটেড গ্রামীণ ই-কমার্স নেটওয়ার্ক একশপ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কে পৌঁছে গেছে। এই সমঝোতা, ধামাকা শপিংয়ের গ্রাহক এসব দেশের প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছেও পৌঁছে যাবে একশপের মাধ্যমে।’

একশপ-এর টিম লিডার মো. রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, ‘এই সমঝোতার ফলে দেশব্যাপী এক শপের ছয় হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকরা ধামাকা অন-লাইন প্লাটফর্মের সেবা পাবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘একশপের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রান্তিক ব্যাবসায়ীরা ধামাকা শপিং প্লাটফর্মে তাদের পণ্য বাজারজাত করতে পারবেন। ই-কমার্স কোম্পানি, লজিস্টিক কোম্পানি, পোস্ট অফিস, পেমেন্ট সুবিধা, ইউডিসি নেটওয়ার্কের মধ্যে সমন্বয় করে তৈরি হয়েছে একশপ প্ল্যাটফর্ম। এতে একদিকে যেমন প্রান্তিক উৎপাদনকারীর পণ্য প্রায় ২৫ লাখ ই-কমার্স গ্রাহকের কাছে পৌঁছানের সুযোগ হবে, তেমনি শহরের মানুষও ঘরে বসে গ্রামের পণ্য কিনতে পারবেন সরাসরি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *