হিলি স্থলবন্দর থেকে ১৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

0
8
হিলি স্থলবন্দর
হিলি স্থলবন্দর

গত অর্থবছরে (২০১৬-১৭) দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর থেকে লক্ষ্যমাত্রার কয়েক গুণ বেশি রাজস্ব আহরণ হওয়ায় চলতি অর্থবছরে (২০১৭-১৮) তা কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। গত অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বিপরীতে সরকারের আয় হয় ১৯০ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। এ সাফল্যে ভর করে এবার হিলি স্থলবন্দর থেকে ১৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এনবিআর।

কয়েক অর্থবছর ধরেই হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণে এনবিআর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তব পরিসংখ্যানের বিপরীতগামিতা লক্ষ করা যাচ্ছে। হিলি স্থল শুল্কস্টেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১৫৬ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আহরণ হয় ৩০ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার রাজস্ব। লক্ষ্য অর্জন না হওয়ায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তা খানিকটা কমিয়ে ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে রাজস্ব আহরণে উন্নতি পর্যবেক্ষণসাপেক্ষে গত বছরের মার্চে লক্ষ্যমাত্রা পুনর্নির্ধারণ (১১০ কোটি টাকা) করে এনবিআর। কিন্তু অর্থবছর শেষে ফের উল্টো চিত্র দেখা যায়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে সরকারের আয় হয় ৭৬ কোটি ৪৮ লাখ ১১ হাজার টাকা। প্রায় ৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার ঘাটতি রয়ে যাওয়ায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৪৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে এনবিআর। কিন্তু বাস্তবে আয় হয় অনেক বেশি, ১৯০ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার টাকার রাজস্ব।

বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের সব বন্দরকে একই নিয়মনীতির মাধ্যমে পরিচালনা করা হলে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ আরো বাড়বে। হিলি স্থল শুল্কস্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শাহীন উদ্দিন আহম্মদ জানান, গত অর্থবছরে চাল ও পাথর আমদানি বেশি হওয়ায় হিলি স্থলবন্দর থেকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি রাজস্ব আহরণ সম্ভব হয়। ফলে চলতি অর্থবছর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য আগের তুলনায় খানিকটা বাড়িয়ে ১৯০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে এনবিআর।

উত্তর দিন