বেনাপোল বন্দরে অচলাবস্থা

স্টাফ রিপোর্টার

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী ভারতীয় ট্রাকচালক ও পরিচয়পত্রবিহীন ট্রান্সপোর্ট কর্মচারীদের বিএসএফ কর্তৃক বন্দরে প্রবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডাকেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। গত দুদিন বন্ধ রয়েছে বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের আমদানিবাণিজ্য। তবে দু’দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ও রফতানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রয়েছে।

হঠাত্ করে বিএসএফের এমন কর্মকাণ্ডকে হয়রানি উল্লেখ করে সোমবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রেখেছে ভারতের চব্বিশ পরগনা বনগাঁ গুড ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি বাণিজ্যিক সংগঠন। এমন অবস্থায় আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় দুই বন্দরে শত শত ট্রাক পণ্য নিয়ে প্রবেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। দ্রুত বাণিজ্য চালু না হলে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। বাণিজ্য চালু করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চন্দ বিশ্বাস বলেন, একটা নিয়মে ভারতীয় ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ও ট্রাকচালকরা বন্দরে যাতায়াত করত। তবে এসব সংশোধনের সময় না দিয়ে হঠাত্ বিএসএফ বন্দরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এসব ঠিক করতে তো সময় প্রয়োজন।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, এ পথে ভারত থেকে শিল্প কলকারখানায় ব্যবহূত অধিকাংশ কাঁচামাল ও খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি করা হয়েছে। দুদিন ধরে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় পেট্রাপোল বন্দরে সহস্রাধিক ট্রাক পণ্য নিয়ে বেনাপোল বন্দরে ঢোকার অপেক্ষায়।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক আবদুল জলিল বলেন, এটা ভারতীয়দের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমদানি বন্ধ থাকায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের যেমন লোকসান হচ্ছে, তেমনি বন্দরে পণ্যজট বাড়ছে। দ্রুত যাতে চলমান সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে বাণিজ্য সচল হয় ভারতীয়দের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমসের কমিশনার মো. আজিজুল ইসলাম জানান, দু’দিন ধরে বাণিজ্য বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.