বাংলাদেশে চিনি রপ্তানির কথা ভাবছে ভারত

0
23
চিনি আমদানি
চিনি আমদানি

উৎপাদন বেশি হওয়ায় চিনি রপ্তানি করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। আর এজন্য দেশটি প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাকেই অন্যতম ক্রেতা হিসেবে ভাবছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, তুলনামূলক কম শুল্কে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় চিনি রপ্তানি করতে দুই দেশের সঙ্গে শিগগিরই আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ভারত।

ভারত সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় ২৫ মিলিয়ন টন বেশি চিনি উৎপাদন করবে। ফলে তাদের দেশে চিনির কোনো ঘাটতি থাকবে না। বরং বাড়তি চিনি তারা রপ্তানি করবে।

নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, আগামী অক্টোবর থেকে নতুন মৌসুম শুরু হবে। তার আগে সারা দেশের লাখ লাখ আখ চাষীকে আখের দাম পরিশোধ করতে হবে। এই অবস্থায় যদি চিনি বিক্রি করা না যায় তবে আসছে বছর মিল চালানোই দায় হয়ে যাবে।

এছাড়া আগামী ২০১৯ সালে যেহেতু ভারতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন তাই আগামী বছর দেশের বাজারে চিনি বিক্রি কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করেন ওই কর্মকর্তা।

ভারত
ভারত

খবরে বলা হয়েছে, ভারত সরকার চিনি রপ্তানির জন্য বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা সরকারকে আমদানি শুল্ক কমানোর অনুরোধ করবে।

এদিকে ভারতীয় চিনি কল অ্যাসোসিয়েশনের মহা-পরিচালক অবিনাশ বর্মণ বলেন, বাংলাদেশে কমপক্ষে আধা ডজন চিনি রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান আছে। তারা অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে তা সাদা চিনিতে রূপান্তর করে।

অবিনাশ বর্মণ আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় চিনির আমদানি শুল্ক কমালে ওইসব রিফাইনারি কারখানাগুলো চিনি আমদানি করতে আগ্রহী হবে।

তিনি বলেন, আমরা জানি বাংলাদেশ বরাবরই ব্রাজিল থেকে চিনি আমদানি করে থাকে। তবে পরিবহণ ব্যয় , সময় ইত্যাদি কারণে তাদের জন্য ভারত থেকেই চিনি কেনা অনেক সহজ।

অবিনাশ বর্মণ জানান, ঢাকা ও কলম্বো রাজি থাকলে দুই দেশে প্রায় ৩০ লাখ টন চিনি রপ্তানি করতে পারবেন তারা।

যারা অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে চান তাদের জন্য এই ভিডিও

উত্তর দিন